The magnificent Lalji temple

Introduction

Kalna or Ambika Kalna is a historical town in Purba Bardhaman, situated on the western banks of river Bhagirathi, in the State of West Bengal, India. This temple town is second to Bishnupur in terms of the number of Hindu temples, built by Hindu Rajas and Zamindars during mediaeval Bengal. Rajbari temple complex of Kalna, hosts four terracotta temples, one Rasmancha and the magnificent Lalji temple.

Lalji temple, Kalna

History

Lalji temple was built in the year 1739 by Brajakishori Devi, wife of Jagatram. Jagatram was the last Zamindar of Bardhaman. This oldest terracotta temple, amongst the group of terracotta temples in Kalna, is an unique PanchabinsatiRatna temple with twenty five peaks on its roof and it’s exteriors are decorated with beautiful terracotta motifs.

Lalji temple, Kalna

Ornamentation

It’s exemplary terracotta figurative art works are there to see, but many of them worn off with time.

Lalji temple, Kalna

This temple is also known for its death creeper (মৃত্যুলতা) plaques. The conjoining walls of the temple are embellished with the ‘death creeper‘ plaques and one can see the events of hunting rituals, horse and elephant with warrior riders, which are the prevalent trait in figurative terracotta panels on the face of Lalji temple walls.

Lalji temple, Kalna
Lalji temple, Kalna
Lalji temple, Kalna

Durga

On the outer walls of the inner sanctum of the temple, we can see Durga with her family in a single panel. Here, Durga occupies the central shrine and the other shrines are being occupied by Ganesha, Saraswati, Laxmi, Kartikeya and Jaya & Bijaya. Jaya and Bijaya are the two gate-keepers (দ্বারপালক) of the abode of Vishnu, known as Vaikuntha. This particular type of panel for Durga is a predominant feature of Vaishnavite temples in Bengal.

Lalji temple, Kalna

Deities

Lalji temple houses the idols of Radha Krishna. The deities in the inner sanctum, illuminate the divine compassion and the outer walls exposite the ornamental carvings, delineating scenes from daily life, hunting rituals and mythology.

Lalji temple, Kalna
Lalji temple, Kalna

মধ্যযুগীয় বাংলার মন্দিরে শিকারদৃশ্য

পৃথিবীর বুকে মানুষের আদিমতম বৃত্তি ছিল শিকার। আর এই শিকারদৃশ্যই বার বার ফুটে উঠেছে বাংলার বিভিন্ন মন্দিরগুলির টেরাকোটা অলংকরনে। মধ্যযুগীয় বাংলায় যখন যে রাজা বা জমিদার মন্দিরগুলি তৈরী করেছিলেন, তারা তাদের শিকার উৎসবের চিএ মন্দিরগাএে ফুটিয়ে তুলেছিলেন। এটাই ছিল রীতি। বিষ্ণুপুর থেকে কালনা, সর্বএই টেরাকোটা মন্দিরগুলিতে শিকারের বিভিন্ন দৃশ্য লক্ষনীয়, কোথাও ঢাক জাতীয় বাদ্য বাজিয়ে শিকারের ডাক দেওয়া, মৃত শিকারকে বয়ে নিয়ে যাওয়া, বাঘের সাথে তীরধনুক নিয়ে যুদ্ধ, হাতি বা ঘোরার পিঠে চড়ে বল্লম ছোড়া কিংবা গাছের উপর থেকে বাঘ শিকার – এরকম বহু দৃশ্যের সমাহার। বেশিরভাগ ক্ষেএেই বাঘ শিকারের দৃশ্য দেখা যায়। হরিণ শিকার ও আছে। তবে পাখি শিকার খুব একটা দেখা যায় না।

সংখ্যায় খুব কম হলেও কিছু মন্দিরে খোদ শিকারীকে বাঘের দ্বারা জখম হতে বা মারা যেতে দেখানো হয়েছে। যেমন কালনার লালজী মন্দির।

বেশিরভাগ মধ্যযুগীয় মন্দিরগুলিতে শিকারের অস্ত্র হিসেবে তীর-ধনুক আর বল্লম দেখতে পাওয়া যায়। অবশ্য পরের দিকে উনিশ শতকের কিছু মন্দিরে বন্দুক, আর এক দু জায়গায় কামান দেখানো হয়েছে।

শিকারবৃত্তি সাধারনত নিম্নবর্গের মানুষের জীবনধারনের উপায়। চিরকালই তাই। মধ্যযুগীয় বাংলাও তার ব্যতিক্রম নয়। কিন্তু মন্দিরগাএে অভিজাতবর্গের শিকার বিলাসিতার জীবনযাএাকেই বার বার তুলে ধরা হয়েছে। তাই নিম্নবর্গের মানুষের শিকারের অপেক্ষাকৃত সাধারন প্রাকৃতিক দৃশ্য কোথাও চোখে পড়ে না।

শিকার উৎসবের এই সমস্ত ছবিগুলি যেগুলি মধ্যযুগীয় মন্দিরগুলিতে ধরা দিয়েছে তা আমাদের আজও মুগ্ধ করে চলেছে।

Thank you very much for reading.

বাংলার় টেরাকোটা মন্দির ও বাংলার় ইতিহাস সম্পর্কে কিছু বলার থাকলে অথবা জানানোর থাকলে আপনারা নিম্নের ‘Comment‘ এ লিখে জানাতে পারেন।

বাংলার টেরাকোটা মন্দির নির্মান

বাংলা মূলত সমতল ভূমি হওয়ায় এখানে মন্দির তৈরীর উপযোগী পাথর পাওয়া ছিল কঠিন। তাই আমরা এখানকার যত প্রাচীন মন্দির দেখতে পাই সেগুলোর প্রায় সবই টেরাকোটা (পোড়ামাটি)।

মন্দিরশিল্পীরা বাংলার বিভিন্ন প্রান্তে ঘুরে ঘুরে মন্দির নির্মানের কাজ করত। তাদের প্রথম কাজ ছিল মন্দির নির্মানের উপযোগী মাটি তৈরী করা।

যে যে মিশ্রন টেরাকোটা মন্দির নির্মানে লাগত সেগুলো এইরূপ:

  1. খড়ুটি : মাটি এবং খড়ের মিশ্রন
  2. উলুটি : মাটি এবং উলুঘাসের মিশ্রন
  3. পাটুটি : মাটি এবং পাটের মিশ্রন
  4. তুষুটি : মাটি এবং কাঠগুড়োর মিশ্রন
  5. তুলুটি : মাটি এবং তুলোর মিশ্রন

এই উপাদানগুলি প্রয়োজন অনুপাতে মিশিয়ে, বারবার পায়ে করে মাড়িয়ে দলে এিফলার জলে ভিজিয়ে রাখা হত তিনমাস। অলংকরনের পর কাঁচা মাটির বর্জনযোগ্য অংশ বাঁশ বা কাঠ দিয়ে চেঁচে তুলে, প্রথমে রোদে শুকিয়ে এবং তারপর ভাটিতে পোড়ানো হত। নিপুণ কাজে ও অলংকরনে বালি ও শামুকখোল পোড়া (কলিচুন) প্রয়োগ করা হত।

টেরাকোটা মন্দিরগুলির প্রবেশদ্বার কাঠের তৈরী। প্রধানত শাল, সেগুন, নিম অথবা চন্দন কাঠ সরষের তেলে ডুবিয়ে রেখে নরম করে তার উপর কাজ করা হত।

Reference:

  • Bengal Temples by Bimal Kumar Dutta
  • বাংলার টেরাকোটা মন্দির by Sreela Basu & Abhra Basu

Thank you very much for reading.

বাংলার় টেরাকোটা মন্দির ও বাংলার় ইতিহাস সম্পর্কে কিছু বলার থাকলে অথবা জানানোর থাকলে আপনারা নিম্নের ‘Comment‘ এ লিখে জানাতে পারেন।

The terracotta temples of Guptipara

You can make a true picture of any ancient culture from the carvings of the temples of that era.  Welcome to Guptipara, the land of mediaeval Vaishnavite culture and more.

Guptipara is a village situated under Chinsurah Sub-Division, West Bengal, India. The name Guptipara has been derived from Gupta Vrindabana, which the place used to be called during the period of Vaishnavite culture between 16th – 18th century. It was a citadel of Vaishnava culture. 

Guptipara is mostly famous for its late mediaeval terracotta temples.  The temple complex at Guptipara hosts four Vaishnava temples namely Krishnachandra, Chaitanya, Brindabanchandra and Ramachandra respectively. The Ramachandra temple holds many exemplary terracotta works and the structures bear characteristics of the Bengal School of Architecture, with carvings depicting scenes from the Ramayana and Puranas.

Guptipara is also famous for Rathayatra. Every year thousands of devotees participate in the festival. Bhandara Loot is a popular event during this time.

Temples of Guptipara

In late mediaeval Bengal, long after the practices of Islamic art of architecture, Bhakti Movement brought great changes and developed syncretisation.

Chaitanya Mahaprabhu, the chief Proponent of the Achintya Bheda Abheda and Gaudiya Vaishnavism, ventured against caste barriers and social discrimination, transformed the culture, preaching love, affection and spirituality; Bengal temple architecture – the culmination, expansion and contraction, flourished like never before.

Main entrance to the temple complex
Krishnachandra, Chaitanya, Vrindabanchandra and Ramachandra respectively

The group of four at Guptipara ie Krishnachandra,Vrindabana and Ramachandra and Chaitanya are built on elevated platforms and interconnected through narrow passages to each other.

Narrow passages connecting four temples

Krishnachandra: 

Entering the temple complex the first temple you set your foot onto is Krishnachandra temple. It was constructed in 1745 during the rule of Nawab Ali Vardi Khan and was built in aatchala form. It is said that inside the temple there was an astha dhatu (eight metals) idol, but, the original idol was stolen and replaced by a similar one.

Krishnachandra Temple
Deities inside Krishnachandra Temple

Chaitanya: 

Chaitanya temple, built by Bishwar Roy in the mid-sixteenth century, is the oldest and used to be the Nahabatkhana. Its construction is very simple without any miniature tower. The temple consists of two thatched hut-shaped structures. The structure was adorned with some of Bengal’s earliest terracotta carvings, but they did not survive the march of time.

Chaitanya Temple
Deities inside Chaitanya Temple

Brindabanchandra: 

The 60-feet high Brindabanchandra temple, built in 1810, dominates the temple complex. The aatchala temple doesn’t have terracotta works but that is compensated by the colourful paintings on both the outer and inner walls. The Brindabanchandra temple is flanked on the left by the Ramchandra temple and on the right by the Krishnachandra temple.

Vrindabanchandra Temple
Deities of Rama, Sita, Jagannatha, Subhadra, Balarama and Garura inside Vrindabanchandra Temple

Fresco paintings inside Vrindabanchandra temple

Ramachandra: 

The terracotta plaques and artworks are important historical evidences of external trends, religious or territorial characters, day-to-day life and folk cultural segments; which are elaborately revealed. Such is the example of Ramachandra.

Ramachandra Temple

The Ekratna (single pinnacled) Ramchandra Temple was constructed in late 18th century AD by Harishchandra Roy, the king of Seoraphuli. The single towered ratha temple has only one tower at the centre. It may be called the most elegant temple in the complex. The single-storey temple with an octagonal turret contains rich terracotta work on the walls and the turret. The carvings depict war scenes from the Ramayana, royal processions, voyages and glimpses of everyday life.

Deities of Rama, Laxmana, Sita and Hanuman inside Ramachandra Temple

Carvings on the wall of Ramachandra temple

Google Maps of the Temple Complex

Food, Culture & Festivals

Gupo Sandesh

Guptipara is a delightful destination for Bengali sweet lovers. Gupo Sandesh, made of Chhana is said to be Bengal’s first branded sweetmeat. Guptipara is the birthplace of sweetmaker Bhola Moira (primarily known for his folk singing).

Barowari Puja

Durga Puja is celebrated widely in Guptipara. Guptipara has the credit for hosting Bengal’s first Barowari Durgapuja, which was introduced by Sree Bindhabasini Jagaddhratri Puja Committee(worshipping Devi Dura introduced by Lord Ram). In 1760, a group of 12 men formed a committee and organized a modern club culture and introduced Barowari Puja to the common Bengali community and it is still performed with the same enthusiasm till this day.

Rathayatra

Guptipara is famous for its Rathayatra. The chariot is Nabaratna-styled wooden temple(Height 36″ Base 34″ X 4 Sq ft & Wheels 16″). The deity in the chariot is of Radharaman. It is said that Guptipara Rathayatra is the second only to the Puri in terms of the distance covered. It is a month long fair in Guptipara on the occasion of this festival and every year thousands of devotees take part in the festival. According to some, the Rathayatra is more than 400 years old. Some say it started somewhere between 1735 and 1740.

Bathing place of deities during Rathayatra

Bhandar Loot is one of the unique attractions of Guptipara Rathayatra, which is held a day before the Purnayatra. On that day the deity is held behind closed doors at Masir Bari. The priest opens all the three doors of the store room at 5 pm and the devotees rush inside the store to loot the Prasada. Many of the locals don’t cook at home that night and even on the following day.

Essentials

Getting there

The best way to reach Guptipara is by road. Having a cab with you for a day is the best option. The journey takes about 2 to 2.5 hours from Kolkata and you can cover the place easily in a day trip. 

By train, it can take upto 2 hours to reach Guptipara from Howrah by Howrah-Katwa Local.  Then from Guptipara station, you can take a Toto (Rs.20/-) to the temple complex or you can take a walk, it may take 15/20 minutes.

Keep one full day for the tour no matter where you are coming from.

Eatenary

Food options are very limited at Guptipara.  Its better to carry food and water with you.

Videography

The property belongs to the Math and the temple complex is protected under Archaeological Survey of India. So, you have to take prior permissions before the concerned authorities for Videography.

Photography

Photography is not an issue here (But you cannot use any tripods or rails as per ASI guidelines).

When to go

You can travel Guptipara at any time of the year.

Guptipara Railway Station

Location: Guptipara, India

Reference

  • Late Mediaeval Temples of Bengal: DAVID J. McCUTCHION(THE ASIATIC SOCIETY, KOLKATA)
  • Temple Art Of Late Mediaeval Bengal by Nihar Ghosh
  • Paschim Banger Mandir-Terracotta (Vinodbihari Mukhopadhya, Amio Kr Bandapadhya, David J McCUTCHION, Tarapada Santra, Hiteshranjan Sanyal, Mohit Ray, Julekha Haque) Bangio-Sahitya-Parisat
  • Bengal Temples by Bimal Kumar Datta, Munshiram Manoharlal Publishers Pvt. Ltd.
  • Anandabazar Patrika, July 6, 2016.

Special thanks to

Sovon Lal Khamaru